Monday, September 28, 2020
- Advertisement -
Home ঢালিউড বঙ্গবন্ধুর ব্যাপারে বিন্দু পরিমাণ ছাড় নয়, বললেন প্রদর্শক সমিতির নেতা সম্রাট

বঙ্গবন্ধুর ব্যাপারে বিন্দু পরিমাণ ছাড় নয়, বললেন প্রদর্শক সমিতির নেতা সম্রাট

বিনোদন প্রতিবেদক : বিতর্কিত সংলাপ এবং ইতিহাসের অবস্বরণীয় দিন ৭ মার্চকে এড়িয়ে কখনই একটি মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভব নয় অথচ ২০০৩ সালে ‘বীর সৈনিক’ ছবিটিতে অগ্রহণযোগ্য সংলাপের মাধ্যমে ইতিহাসকে বিতর্কিত করছেন। যার মাধ্যমে এ প্রজন্ম একটা ভুল ইতিহাস চর্চা করছেন যে কারণেই এ ছবির নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর এমন কর্মকাণ্ড ক্ষমার অযোগ্য। তিনি দ্রুত ক্ষমা চেয়ে বিতর্কের অবসান ঘটাবেন অন্যথায় তার বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতি অভিযোগে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে- এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার পর নীরব ভূমিকা পালন করায় ঝন্টুর বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ প্রদর্শক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরফুদ্দিন এলাহী সম্রাট এর পক্ষে অ্যাডভোকেট চৌধুরী মোঃ রেওদায়ন-ই-খুদা রবিবার নোটিশটি পাঠান। নোটিশে অপর তিন বিবাদী হলেন এসআইএস মিডিয়ার কর্নধার এম এন ইস্পাহানী, লাভা মুভিজের কর্ণধার জাহাঙ্গীর, স্টেডিয়াম মার্কেটের ইরান ব্যাপারী। নোটিশ প্রাপ্তির দুই দিনের সময়ও বেধে দেওয়া হয়েছে এবং ব্যর্থ হলে এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করেন।

সম্রাট বলেন, একজন হল সমিতির নেতা ছাড়াও আমার পরিচয় আমি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি। তাকে হৃদয়ে ধারণ করি। যার কারণে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি আমি তার অনুগত। শুধু আমি কেন আমরা সবাই। দল যে যাই করুন সেটা ভিন্ন কিন্তু বঙ্গবন্ধুর কারণে আজকের বাংলাদেশ এই সত্যটা মেনেই কিন্তু আমাদের কাজ করতে হবে। সেখানে আপনি চাইলেই অনাকাঙ্খিত কাউকে ঢুকিয়ে দেবেন সেটা কেউ মেনে নেবে না। বঙ্গবন্ধুর ব্যাপারে আমি বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেব না। একজন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট লোক হয়ে আমিও তার ব্যতিক্রম নই। ওই ছবিটিতে প্রকারন্তরে ‘মেজর জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক’ যা সত্যের অপলাপ বিভ্রান্তিমূলক, দূরভিসন্ধিমূলক এবং বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। এতে এ প্রজন্ম একটা মিথ্যা ইতিহাস চর্চা করছে। আমি শুনেছি শ্রদ্ধেয় দেলোয়ার জাহান ঝন্টু নিজেও একজন মুক্তিযোদ্ধা। যদি সেটা সত্য হয় তাহলে আমার প্রশ্ন তিনি কিভাবে কার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এমন একটা মিথ্যে ইতিহাস চর্চা করছেন?

তার এমন কর্মকাণ্ড ২০০৯ সালে আদালতের নির্দেশনার সরাসরি অবমাননাকর। এই নির্দেশনার পরও ১১টি বছর কেটে গেছে তিনি তার ছবিতে বিতর্কিত অংশটুকু রেখে স্বাধীনতার স্বপক্ষের সরকার এবং আদালতকে হেয় করেছেন। আর এমন কাজ কেবল মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠির নিপুন ষড়যন্ত্র।

এ ব্যাপারে দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মুরাদ এর নোটিশ পেয়েছি। অন্য কেউর নোটিশ এখনও পাইনি।

প্রসঙ্গত- দেলোয়ার জাহান ঝন্টু এসআইএস মিডিয়ার কর্নধার এম এন ইস্পাহানী এবং লাভা মুভিজের কর্ণধার জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ‘বীর সৈনিক’ ছবির বিতর্কিত অংশ অপসারণ না করেই টেলিভিশন, ইউটিউবে চালিয়ে জাতিকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েই যাচ্ছেন এমন অভিযোগের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মুরাদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এটিএম মাকসুদুল হক ইমুর পক্ষে আইনি নোটিশ পাঠান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

সর্বশেষ