Thursday, October 22, 2020
- Advertisement -
Home ঢালিউড পরিস্থিতি পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আমরা সদস্যদের পাশে থাকব-মিশা সওদাগর

পরিস্থিতি পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আমরা সদস্যদের পাশে থাকব-মিশা সওদাগর

বিনোদন প্রতিবেদক:

চিত্রজগত- অবসর সময় উপভোগ করেছেন কেমন?

মিশা সওদাগর- এক মাসেরও বেশি সময় ঘরেই অবস্থান করছি। মাঝে মাঝে বের হয়ে এফডিসিতে যাই। তবে শিল্পী সমিতির বিশেষ কাজ ছাড়া বের হইনি। এখন তো রমজান মাস, রোজা রাখছি, নামাজ পড়ছি। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছি, শিল্পীদের খোঁজ নিচ্ছি এবং ফিল্ম দেখছি। বিটিভিতে আমার অভিনীত পুরনো নাটকগুলোও দেখি।

চিত্রজগত- আপনার পরিবার তো আমেরিকাতে, তাদের কী খবর?

মিশা সওদাগর- মন খারাপ থাকে এ জন্যই বেশি। তারপরও নিজেকে সামলে নিতে হয়। আপাতত কিছুই করার নেই। প্রতিদিন দু’বার করে কথা হয়। আমার বড় ছেলে থাকে টেক্সাস এবং স্ত্রী ও ছোট ছেলে থাকে নিউইয়র্ক। মোটামুটি ভালোই আছে তারা। তবে বের হতে তেমনটা পারছে না। তারা যে বাসায় থাকে সেটি পুরোই কোয়ারেন্টিনে। চলতি মাসের মাঝামাঝিতে আমার যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেটিও এখন নিশ্চিত নয়।চিত্রজগত-শেষ ব্যস্ততা কী ছিল?

মিশা সওদাগর- চ্যানেল আইয়ের একটি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলাম। এরপর ‘শান’, ‘মিশন এক্সট্রিম’ ছবির দুই শুটিং করলাম। শাহীন সুমন পরিচালিত ‘একটা প্রেম দরকার’ ছবির ডাবিংও করলাম। আরও তিনটে ছবির শুটিং হওয়ার কথা ছিল এর মধ্যে। এগুলো ছিল অনন্য মামুন, মালেক আফসারীর ও ওয়াজেদ আলী সুমনের। এখন তো সবই আটকে রয়েছে। পরিবর্তন না হলে কিছুই হচ্ছে না।

চিত্রজগত- করোনাভাইরাসের কারণে চিত্রপাড়ার ক্ষতি কাটিয়ে উঠবে কী করে?

মিশা সওদাগর- আমরা তো ক্ষতির মধ্যেই ছিলাম। এখন সেটা আরও বেড়ে গেল। কীভাবে ঠিক হবে সেটা এখনই বলা মুশকিল। পুরনো কথা আবারও বলতে হয়, সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে। তাহলে হয়তো কিছুটা সম্ভাবনা আছে। পূর্ণ সমাধানের জন্য প্রয়োজন আমাদেরকে মাল্টিপ্লেক্স আইন নির্ধারণ করে দেয়া। আগে প্রযোজক বাঁচাতে হবে, প্রযোজক ছাড়া ইন্ডাস্ট্রি বাঁচবে না। চলতি সিনেমাগুলোকে ঠিকমতো প্রচার এবং সঠিক সময়ে মুক্তি দিতে পারলে হয়তো পরিস্থিতি কিছুটা ফিরবে। তবে পরিবর্তন হতে সময় লাগবে।

চিত্রজগত-বর্তমান অবস্থা চলমান থাকলে শিল্পীদের জন্য কি ত্রাণ নিয়মিত দেবেন?

মিশা সওদাগর- হ্যাঁ, আমরা এটা ভেবেছি এবং নিয়মিতই রাখব। পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আমরা সব সদস্যের পাশে থাকব। যখন যা দরকার আমরা তাই করব। শিল্পীদের স্বার্থে তাদের জন্য সমিতি সবসময় থাকবে। আমরা এটাও বলেছি কোনো সমস্যা থাকলে, বলতে দ্বিধা করলে একটি মেসেজ দিন, আমরা পৌঁছে দেব আপনার প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি।

চিত্রজগত-যারা সদস্যপদ হারিয়েছেন তাদের ত্রাণ দিয়েছেন?

মিশা সওদাগর- আসলে এখন মোটামুটি সবার অবস্থাই একটু নড়বড়ে। যারা শিফটের শিল্পী তাদের অবস্থা খুবই করুণ। সদস্য পদ যারা হারিয়েছেন অনেকেই পাচ্ছেন তাদের মধ্যে। যারা যোগাযোগ করছেন তাদের কাউকেই আমরা ফিরিয়ে দেইনি।

সুত্র/যুগান্তর

- Advertisment -

সর্বশেষ