Friday, October 30, 2020
- Advertisement -
Home ঢালিউড পরিবারের কথা না শুনে ৪ মাস পর শিল্পী সমিতির ডাকে বের হলেন...

পরিবারের কথা না শুনে ৪ মাস পর শিল্পী সমিতির ডাকে বের হলেন ইলিয়াস কাঞ্চন

মিশা-জায়েদকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করায় দুঃখ পেয়েছেন তারকানায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। আর তাইতো করোনার ঝুঁকি উপেক্ষা করে মিশা-জায়েদকে নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে খোলস ছেড়ে বের হয়ে এসেছেন প্রতিবাদ জানাতে।

আমি যেমন শিল্পী, তেমনি একজন প্রযোজক, তেমনিভাবে একজন পরিচালকও। আমাদের এখানে আছেন ডিপজল সাহেব তিনিও একজন প্রযোজক। এখানে অনেকেই আছেন যারা একই সঙ্গে অনেক কাজে জড়িত আছি। চলচ্চিত্রের বর্তমান অবস্থা নিয়ে নতুনভাবে বলার কিছুই নাই। মানুষ কাজ করতে পারছে না, উপার্জন করতে পারছে না। সেই জায়গা যদি এমন দলাদলি হয় তাহলে এটা অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়। এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বরং আমাদের প্রত্যকের চেষ্টা করা উচিত যেভাবেই হোক চলচ্চিত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আমি একটা জিনিস মনে করি চলচ্চিত্র যতদিন বেঁচে থাকবে আমি মরে গেলেও বেঁচে থাকবো। আর চলচ্চিত্র যদি না থাকে কেউ আমাকে স্মরণ করবে না। বলছিলেন দেশের সবচেয়ে ব্যবসা সফল ছবি বেদের মেয়ে জোসনা’র নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।

চলচ্চিত্র শিল্প রক্ষার লক্ষ্যে চলচ্চিত্র শিল্পীদের স্বার্থ লক্ষ্যে সভাপতি মিশা-সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানকে বয়কটের প্রতিবাদে রোববার সন্ধ্যায় এফডিসিতে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন এই কিংবদন্তি চিত্রনায়ক।বর্তমান শিল্পী সমিতির কাজ প্রসঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমি নিজেও চলচ্চিত্রের শিল্পী সমিতির সেক্রেটারি ছিলাম। সত্যি কথা বলতে বর্তমানে যে কমিটি আছে আমি প্রশংসা না করে পারছি না।এই করোনার মধ্যে আমার ছেলে এতো নিষেধ করা সত্তেও ২৬ শে মার্চের পরে এই প্রথম আমাকে বাইরে আনতে পেরেছে শিল্পী সমিতির নেতৃবৃন্দ। আমি একটা দিনও বের হইনি। আমি আল্লাহর কাছে একটা কথাই বলেছি যে যাই হোক না কেন আমি যেন একটা মিটমাট করে দিতে পারি। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই এখানে আসা। পরিচালক-প্রযোজকদের উদ্দেশে আমি বলবো আপনারা চলচ্চিত্রের অংশ যেমন আমরা চলচ্চিত্রের অংশ কেউ কাউকে বাদ দিয়ে চলচ্চিত্র এগুতে পারবে না। করোনার মধ্যে আমরা দেখেছি শিল্পী সমিতি তাদের যে কাজ করেছে সব সময় সাহায্য সহযোগিতা কী দিচ্ছে না দিচ্ছে তা জানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এভাবে কোনো নেতৃবৃন্দকে দেখি নাই শিল্পীদের পাশে থাকতে। আমি নিজেও দায়িত্ব পালন করার সময় পারি নাই। এখন করোনার যে দুর্যোগ চলছে ঠিক এই সময়ে অনেক প্রযোজক আছেন যারা খুব খারাপ অবস্থায় আছেন। আমি আশা করবো প্রযোজকরা নেতারা সমস্যায় থাকা প্রযোজকদের পাশে দাঁড়াবেন। যে সকল পরিচালক আছেন সমস্যার মধ্যে সেখানে পরিচালক সমিতির নেতারা তাদের পাশে দাঁড়াবেন। আমি একটা কথাই বলার জন্য এসেছি আসুন ভুলভ্রান্তি মানুষের হয়। পৃথিবীতে এমন কোনো মানুষ পাবেন না যে ভুল করে না। মানুষ জন্মগতভাবেই ভুল করে। ভুল হতেই পারে কিন্তু এটাকে প্রজ্বলিত করার চেষ্টা করবেন না। যদি কিছু হয়ে থাকে সবাই মিলে বসে সমাধান করি। সিনিয়ররা মিলে সব কিছু ঠিক করে দেই। এই করোনায় আমরা কে কখন চলে যাবো আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না। এই পরিস্থিতিতে আমরা বিরোধ তৈরি না করি। আমাদের মৃত্যুর পরে কেউ যেন গালি না দেয় এই লোকটা ওই কাজটা করে গেছে। এই উপলব্ধি যেন সবার হয়। আমি আশা করবো খুব অল্প সময়ের মধ্যে বসেই এই সমস্যার সমাধান করবো।

এ সময় শিল্পীদের সহযোগিতায় ১ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেন, আমার নিজেরও খুব একটা ইনকাম নেই। আমার একটা বাড়ি আছে ওইটার ভাড়া দিয়েই চলতে হয়। করোনার কারণে সেটাও ঠিক মতো পাচ্ছি না। তবে আমি শিল্পীদের জন্য ১ লাখ টাকা দিচ্ছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

সর্বশেষ