Sunday, July 5, 2020
- Advertisement -
Home ঢালিউড পরিচালক ও নায়ক নিয়ে অতটা ভাবতাম না, এবং পোশাকের বিষয়ে খুব সচেতন...

পরিচালক ও নায়ক নিয়ে অতটা ভাবতাম না, এবং পোশাকের বিষয়ে খুব সচেতন ছিলাম: শাবানা

কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শাবানা স’ম্প্রতি দেশে ফি’রেছেন। স’ঙ্গে আছেন স্বামী চিত্রপ্রযোজক ওয়াহিদ সাদিক। দেশে ফি’রেই সাংবাদিকদের মু’খোমুখি হয়েছিলেন এক সময়ের সাড়া জাগানো এই নায়িকা। কথা বলেছেন অভিনয় জীবন ও অতীত অভিজ্ঞতা নিয়ে।

চলচ্চিত্র জগতে শাবানার ছিল নিজস্ব অব’স্থান। পোশাক-পরিচ্ছদ নিয়ে যথেষ্ট সচে’তন ছিলেন তিনি। সাংবাদিকদের স’ঙ্গে কথা বলার মুহূ’র্তে সে কথা স্মরণ করান অভিনেত্রী। পোশাক নিয়ে তিনি বলেন, আমি পোশাকের ব্যাপারে খুব সচে’তন ছিলাম। একবার ‘বধূ বিদা’য়’ ছবিতে গ্রামের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য প্রস্তাব পাই। পরিচালক আমা’র চরিত্র সাজান গায়ে শুধু একটা শাড়ি পরে অভিনয় করার মতো করে। আমি না করেছিলাম। তখন পরিচালক আমায় শহরের মেয়ের চরিত্র দিয়েছিলেন।

ছবির গল্প ও চরিত্র নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, আমি সব সময় গল্প ও চরিত্র নিয়ে ভাবতাম। কোথাও শু’টিংএ গেলে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতাম। পরিচালক ও নায়ক নিয়ে অতোটা ভাবতাম না। আমি চাইতাম ছবিতে আমা’র চরিত্রটা ভালো হোক।

চলচ্চিত্র জগতের প্রথম দিনের স্মৃ’তি হাতড়ে অভিনেত্রী বলেন, আমা’র প্রথম ছবির ডায়ালগ এখনও মনে আছে। ওই ছবিতে রওশান আরা নায়িকা ও নায়ক ছিলেন রহমান। আমা’র ডায়ালগ ছিল- ভাইয়া ভাইয়া, আপুর বিয়ে। খুশিতে দৌড়ে এসে ভাইয়াকে ধ’রি। ভাইয়া আমাকে ধ’রে বলেন, তাই নাকি রে। এক বারেই পারফেক্ট শট দিয়েছিলাম।

এখনও একটা আফসোস অভিনেত্রীকে তাড়া করে। অভিনেত্রীর শেষ ইচ্ছে ছিল বেগম রোকেয়ার জীবন ভিত্তিক সিনেমায় অভিনয় করা। কিন্তু নানা প্রতিব’ন্ধকতার কারণে অভিনয় করা সম্ভব হয়নি। অভিনেত্রী বলেন, ছবিটা ক’রতে পারলে আরও ভালো লাগত। একটা আফসোস থেকে গেছে। সুভাষ দত্তের স্বপ্ন ছিল আমাকে নিয়ে চলচ্চিত্রটা করার। কিন্তু আর হলো না।

শাবানার পারিবারিক নাম আফরোজা সুলতানা রত্মা। চলচ্চিত্রে তিনি শাবানা নামেই সুপরিচিত। মাত্র আট বছর বয়সে সিনেমায় নাম লেখান শাবানা। এহতেশাম পরিচালিত ‘নতুন সুর’ নামের ছবিতে তিনি শি’শুশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। এরপর ‘চকোরী’ ছবিতে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন। বাংলা ও উর্দু ভাষায় নির্মিত ‘চকোরী’ ছবি ব্যবসা সফল হয়। এরপর থেকে শাবানাকে আর পেছন ফি’রে তাকাতে হয়নি।

তিন যুগের অভিনয়জীবনে শাবানা অভিনীত সিনেমা’র সংখ্যা ২৯৯টি। ক্যারিয়ারে নাদিম, রাজ্জাক, আলমগীর, ফারুক, জসীম, সোহেল রানার স’ঙ্গে জুটি বেঁধে শাবানা উপহার দেন জনপ্রিয় অনেক ছবি।

তার উল্লেখযোগ্য ছবিগুলোর মধ্যে আছে, ‘চকোরী’, ‘ভাত দে’, ‘রাঙা ভাবী’, ‘অবুঝ মন’, ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘দোস্ত দুশমন’, ‘সত্য মিথ্যা’, ‘রাঙা ভাবী’, ‘বাংলার নায়ক’, ‘ওরা এগারো জন’, ‘বিরো’ধ’, ‘আনাড়ি’, ‘সমাধান’, ‘জীবনসাথী’, ‘মাটির ঘর’, ‘লুটেরা’, ‘সখি তুমি কার’, ‘কেউ কারো নয়’, ‘পালাবি কোথায়’, ‘স্বামী কেন আসামি’, ‘দুঃসাহস’, ‘পুত্রবধূ’, ‘আক্রোশ’ ও ‘চাঁপা ডাঙার বউ’ ইত্যাদি।

অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে শাবানা দশবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৯৭ সালে শাবানা অজা’না কারণে হঠাতই বিদা’য় নেন চলচ্চিত্র থেকে। স্বামী সন্তানদের নিয়ে ২০০০ সাল থেকে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সিতে বসবাস করছেন তারা।

- Advertisment -

সর্বশেষ

নেপোটিজমের জোরও তাঁদের ক্যারিয়ার বাঁচাতে পারেনি!

0
বলিউডে অভিনয় শিল্পীদের ‍উত্থানের স্পষ্ট দুটি বিভাজন আছে। প্রথমটা খুব কঠিন। প্রতিভা যদি থাকে, পরিশ্রম